কবিতা (বুধাদিত্য)

বিবর্তন?

 

যেদিন আদিম মানুষের হাতে পবিত্র পাবক শিখা জ্বলেছিল,

সে আধুনিক হয়ে উঠেছিল।

জেনেছিল জীবনের রহস্য কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের সত্তাকে।

সেদিন সে ছিল মুক্ত প্রাণ, আবেগ স্পন্দিত

আজ সে নিরাবেগ, একেবারে কঠিন।

প্রশ্ন জাগে মনে, একেই কি প্রগতি বলে?

এই শুধু বেঁচে থাকা?

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে পৃথিবীতে।

ঘনিয়েছে উন্মুক্ত মনের চিন্তা কে আচ্ছন্ন করে

মানুষ হারিয়ে গেছে যন্ত্রের ভিড়ে,

ক্ষমতার হাতছানি লোভের অঙ্গার হয়ে জ্বলে।

কিন্তু পারেনা সে তো ফুল ফোটাতে

পারে শুধু হুল ফোটাতে

এ এক অদ্ভুত মরণ, সভ্যতার এ কি বিবর্তন?

আজ মানুষের দেখি দুটো ভিন্ন সত্তায়

বাইরে ভেতরে আলাদা আলাদা

কৃত্রিম তার সব গতিবিধি

নিজেকে আড়াল করে ছদ্মবেশ ধরা

মুখোশে ঢাকা দিয়ে মিথ্যের ভ্রূকুটি

মানুষের গতি আজ কোথা কোনখানে?

সভ্য মানুষেরা সে কথা কি জানে?

 

Facebook Comments
শেয়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *